গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২০২৩ কত?
আজকে আমরা আলোচনা করব গার্মেন্টসের শ্রমিকদের বর্তমান বেতন স্কেল কত? কোন গ্রেডে বেতন কত করা হয়েছে? ট্রেন্ডি টাইমস্ ২৪ এর মাধ্যমে আজকে আপনাদেরকে উক্ত বিষয়টি সঠিকভাবে জানানো হবে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের বর্তমান বেতন স্কেল কত এবং তাদের কি কি সুবিধা দেয়া হয়েছে।শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা করার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ
গার্মেন্টস খাতে কর্মরত শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা করার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল (আইবিসি)। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ করে শ্রমিক অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনটি।সভায় শ্রমিক নেতারা বলেন, পোশাক খাতে কর্মরত শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির বিভিন্ন যুক্তি ও যৌক্তিকতা বিবেচনা করে ১৩৯ ধারা অনুযায়ী প্রতি ৫ বছর অন্তর ন্যূনতম মজুরির হার বাড়ানোর সুপারিশ ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য সর্বশেষ ন্যূনতম মজুরি ২৫ নভেম্বর ২০১৮-এ ঘোষণা করা হয়েছিল। যার কারণে মজুরি বৃদ্ধির মেয়াদ ৫ বছর ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালে ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার পর থেকে ৫ বছরে চিকিৎসা, শিক্ষা, গ্যাস, বিদ্যুৎ, আবাসন ও পরিবহন খাতের ব্যয় অকল্পনীয় হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘটেছিলো. শ্রমিকদের জীবনের প্রয়োজনীয় জিনিস। তাই আগে শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানো উচিত ছিল। ফলে আরএমজি খাতের শ্রমিকদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে।
২০১৮ সালে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ছিল
২০২৩ সালে গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন কাঠামো বৃদ্ধির ঘোষনা
সরকারি মজুরি কাঠামো বৃদ্ধি ও তা বাস্তবায়নের দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের ফলে স্টেকহোল্ডারদের ঐক্যমতের ভিত্তিতে ৩, ৪ ও ৫ গ্রেডে মজুরি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে মজুরি সমন্বয় করা হলে প্রতিটি গ্রেডে উপযুক্ত হারে মজুরি বাড়বে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
রোববার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মনোজন সুফিয়ান এ মজুরি ঘোষণা করেন।
নতুন গ্রেডে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২০২৩
প্রথম শ্রেণীতে ১৮ হাজার ২৭৫ জন, দ্বিতীয় শ্রেণীতে ১৫ হাজার ৪১৬ জন, তৃতীয় শ্রেণীতে ৯ হাজার ৮৪৫ জন, চতুর্থ শ্রেণীতে ৯ হাজার ৩৪৭ জন এবং পঞ্চম শ্রেণীতে ৮ হাজার ৮৭৫ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে নিয়োগকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে পোশাক খাতে ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকা চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এই মজুরি জানুয়ারি ২০১৯ থেকে প্রযোজ্য হবে বলে জানা হয়েছিল।
তৎকালীন শ্রম প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি হবে ৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে বেসিক ৪ হাজার ১০০ টাকা, বাসা ভাড়া ২ হাজার ৫০ ও অন্যান্য ১ হাজার ৮৫০ টাকা ছিল।
এর আগে একই বছরের ১৪ জানুয়ারি পোশাক খাতের শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণে ন্যূনতম মজুরি কমিশন গঠন করে সরকার।
প্রসঙ্গত, সর্বশেষ ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করা হয়েছিল ২০১৩ সালের নভেম্বরে। ঘোষণার এক মাস পর ডিসেম্বর থেকে এটি কার্যকর হয়েছে। সে অনুযায়ী একজন এন্ট্রি লেভেলের শ্রমিক ন্যূনতম মজুরি পাচ্ছেন ৫ হাজার ৩০০ টাকা। এ ছাড়া শ্রমিকরা বার্ষিক ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট পাচ্ছেন। কিন্তু গার্মেন্টস শ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি ১৬ হাজার টাকা দাবি করেছে।
